Skip to content
logo3 Join WhatsApp Group!

কিশমিশের উপকারিতা, কিশমিশের জল খেলে যে উপকার পাবেন

Kismis
Rate this post

কিশমিশের জল – রক্তশূন্যতায় কিশমিশ উপকারী এটা অনেকেই জানেন। কারণ কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত ​​তৈরি করে। কিন্তু, আপনি কি জানেন আপনার লিভার বা লিভার পরিষ্কার করার জন্য কিশমিশের কোনো জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের জল লিভার পরিষ্কার করে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে কিশমিশের জল পান করলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে শরীরের ভিতরের রক্ত ​​দ্রুত পরিষ্কার হতে শুরু করে। অন্তত চার দিন একটানা কিশমিশের জল পান করলে পেট পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেট খারাপ হবে না। আপনিও প্রচুর শক্তি পাবেন। অনেক চিকিৎসক রোগীদের ওষুধের সঙ্গে কিসমিসও লিখে দেন। কারণ কিশমিশ হার্টের জন্য ভালো। এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরলও দূর করে।

কিশমিশে রয়েছে অনেক ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। আপনি যদি কিশমিশ না খান এবং শুধুমাত্র কিশমিশের জল পান করেন তাহলেও সেই ভিটামিন এবং মিনারেল শরীরে প্রবেশ করে। জলেতে ভিজানোর আরেকটি কারণ হল চিনির মাত্রা কমে যাওয়া।

রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হয়। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে ক্ষতিকর পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে এবং আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই লিভার ও কিডনিকে সব সময় শক্তিশালী রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো জল ভালো কাজ করে। যার কারণে হজম প্রক্রিয়াও বৃদ্ধি পায়।

Kismis
কিশমিশ

কিশমিশের জল কিভাবে তৈরি করবেন

আপনার প্রয়োজন হবে ২ কাপ (৪০০ মিলি) জল এবং ১৫০ গ্রাম কিশমিশ। আপনি কি ধরনের কিশমিশ কিনছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খুব বেশি উজ্জ্বল কিশমিশ কিনবেন না। এতে রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। গাঢ় রঙের কিশমিশ কেনার চেষ্টা করুন। এর মধ্যে কিশমিশও নিতে হবে, যা খুব শক্তও হবে না আবার খুব নরম ও ফোলাও হবে না।

কিশমিশ কয়েকবার ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর একটি পাত্রে দুই কাপ জল দিয়ে কিশমিশ সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ বের করে জল হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে সেবন করুন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটের জন্য অন্য কিছু খাবেন না।

আপনার রেসিপিকে এই ওয়েব সাইটের  মাধ্যমে সারা জগতকে জানাতে ( ছবি, রেসিপির নাম, উপকরণ, প্রণালী, আপনার নাম, ইউটিউব লিংক থাকলে) লিখে মেইল করুন [email protected] 

আমি ধাপে ধাপে রেসিপিটি দিয়েছি যাতে আপনি সহজেই রেসিপিটি পড়ে রান্নাঘরে রান্না করতে পারেন।
আমাদের রেসিপি টা ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। এরকম আরো রেসিপি পড়তে আহারে বাহারের সাথে যুক্ত থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *